বানিজ্যিক ইভেন্ট বনাম ব্যক্তিগত ভ্রমণ - GoArif

বানিজ্যিক ইভেন্ট বনাম ব্যক্তিগত ভ্রমণ

বানিজ্যিক ইভেন্ট বনাম ব্যক্তিগত ভ্রমণ । আমি স্বয়ং দুই দলেরই সদস্য, তাই দুই ক্ষেত্রের অভিজ্ঞতাই শেয়ার করছি।

সেই যেদিন থেকে বানিজ্যিক ইভেন্ট ও গ্রুপভিত্তিক ইভেন্ট শুরু হয়েছে, সেদিন থেকেই এই দুই দলের দ্বন্দ্ব ও আক্রমনাত্মক আলোচনা শুরু হয়েছে। দুই পক্ষেই সু-যুক্তি ও খোঁড়া-যুক্তি আছে। তাই দুইটাকে এক চোখে দেখলে কেমন দেখায় সেটাই বিবেচ্য ও আলোচ্য।

আমার পুরো লেখাটি পড়লে ভালো মতো বুঝবেন বলে আশা করছি। যারা সমগ্র লেখাটি পড়বেন না, তাদের এক বাক্যে বলছি,

“এই কমার্শিয়াল আর ব্যক্তিগত, পুরো ব্যাপারটিই যতো গুড়, ততো মিঠা টাইপ।
যেমন সার্ভিস ও আয়োজন, তেমনই খরচ। তর্কের কোন ইস্যু নয়”

আরওঃ ভ্রমণ পিপাসু: আরিফ হোসেন

বানিজ্যিক ইভেন্ট বনাম ব্যক্তিগত ভ্রমণ


১। গত সপ্তাহে ঈদের আগে আগে আমি ফ্যামিলি ট্রিপে সিলেট-মৌলভীবাজার গিয়েছিলাম। সেখানে আমরা ফ্যামিলি মেম্বার ছিলাম ১২ জন। বাকি দুই জনের সন্ধানে আমার টাইমলাইনে ও টিওবি হেল্পলাইনে ট্যুরমেট সন্ধানে পোস্ট দেই।

আশানুরূপ কোন সাড়া পাইনি। কারন তাদের সময়, বাজেট ও প্ল্যানে হয়তো মেলেনি। শেষতক আমার টাইমলাইন পোস্ট দেখে চেনা ২ জন এসে জয়েন করেন। মোট মেম্বার হলাম ১৪ জন, এদের মাঝে ২ জন শিশু।

২। আমাদের খরচে আমরা ছিলাম বাজেট ট্রাভেলার নীতির। খাওয়া দাওয়া ছিলো পেট জামিন দেবার মতো মানে যতোটুকু খেয়ে, বেঁচে থেকে শরীরে শক্তি পাওয়া যাবে। নিজেরা নিজেরা বিধায় হোটেলে এক জনের বেডে দুইজন, ট্রেনের বার্থে ৪ জনের জায়গায় ৮ জন। অটোতে ২ জন কোলে বসা, জিপে ২ জন দাঁড়িয়ে যাওয়া।

তথাপি এতো কৃচ্ছসাধনের পরেও আমাদের জনপ্রতি ন্যূনতম খরচ ৪০০০ টাকা, সর্বোচ্চ খরচ ৪৭০০ টাকা। এই খরচের মধ্যে আবার ২ বেলার খাবার বাদ। হোটেল হিসেবে ছিলো যাচ্ছেতাই মানের নামমাত্র হোটেল, যার ভাড়া খুবই কম।

এই ইভেন্টটাই যদি কমার্শিয়ালি করতাম তাহলে জনপ্রতি খরচে কম বেশি করার উপায় ছিলো না, সবার জন্য এক রেট থাকতো। সবার জন্য সেই দুই বেলাও খাবার থাকতো, হোটেলের মান ভালো হতো।কৃচ্ছসাধন থাকতো না। প্রতি বেলাতেই ভালো মানের ও স্বাদের খাবার দিতাম। কিছুটা প্রফিট তো থাকতোই [প্রফিট কেন রাখতাম তা পরে বলছি]

এবার নিন্দুকেরাই বলেন, তাহলে ইভেন্ট ফি কতো ধরা উচিত হতো?

যারা বলবেন, “ইভেন্টে এতো সার্ভিস দেবার/নেবার দরকার কী?” তারা এই প্রশ্নটা ক্লায়েন্টকে গিয়ে জিজ্ঞেস করে, উত্তরটা আমাকে জানাবেন প্লিজ।

বানিজ্যিক ইভেন্ট প্রফিট

৩। এবার বলি প্রফিটের কথা।

  • প্রথম কথা, এই ট্রিপে ১৪ জনের ১২ জন আমার ঘরের মানুষ। খোঁজাখুঁজির দরকার হয়নি। কিন্তু যখনই এটা কমার্শিয়াল হবে আর অনেক অজানা-অচেনা মানুষ আসবে, তাদের আসার আশায় আমাকে পথপানে চেয়ে বসে থাকতে হবে। কতোদিন থাকবো আর সে কবে আসবে তা শুধুই কপালের লিখন। আমার এই বসে থেকে পার করা সময়ের কী মূল্য নেই?
  • ঘরের লোকেরা তো ঘরেই ছিলো। ফোনে আলাপও লাগেনাই। কিন্তু বাইরের গেস্ট আসলে তো ঘরে আসবে না। আসবে অফিসে। আমার অফিস নাই, তাই ফোনে আলাপ সারতে হবে। সেটাও নিশ্চই মাগনা নয়। হয় টকটাইম নয় ডাটা বিল, কিছুতো লাগবেই।
  • ঘরের লোকের জন্য, সেই ঘরে খাই বলেই বনের মোষ তাড়াইসি। এদিক ওদিক দৌড়ানো, এরে ওরে কল করা, এটা সেটার খবর নেয়া।

৮ ঘন্টা ব্যয় করে বাস টিকিট আর ৬ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ট্রেন টিকিট ম্যানেজ করা। আমিতো আমার ঘরের লোকের জন্য করলাম। আপনি কি আমার জন্য করতেন? নিজ বাদে অন্য কারো জন্য করবেন?

যদি না করেন তবে আমাকে কেন করতে বলেন? নিজের কাজ বাদ দিয়ে, রুটি-রুজির কাজ বাদ দিয়ে যখন এই কাজটাই করা হবে তখন এটাকেই রুটি-রুজি হিসেবে ধরলে সমস্যা কোথায়??

  • আমি নিজে ঘুরে ঘুরে সব জেনেছি, বুঝেছি, দেখেছি, শিখেছি। আর আনাড়ি একজন সব রেডিমেড পাচ্ছে এবং জানছে-বুঝছে-দেখছে-শিখছে। আমার জ্ঞান যে তাকে দিলাম, তার কোন সম্মানী থাকবে না??

ইভেন্ট মানে শুধুই ব্যবসা

৪। যারা বলেন ইভেন্ট ব্যবসা মানে শুধুই ব্যবসা, কখনো কি দেখেছেন বা ভেবেছেন আন্তরিকতার জায়গাটা? আমিতো আমার ফ্যামিলির চাইতেও বেশি আন্তরিক থাকি। আমার বউ আমার সাথে গ্রুপ ইভেন্টে যেতে চায়না কারন আমি তাকে গুরুত্ব না দিয়ে গেস্টদের বেশি যত্ন নেই। এমনও ঘটনা হয়েছে যে, অর্ডার করা খাবার শেষ, কেউ একজন বাড়তি খাবে, নিজের ভাগ দিয়ে দিয়েছি।

হোটেল রুমের বেডে গিয়ে দেখি শেয়ার করা ব্যক্তি খাতির জমায়া পুরা বেড জুড়ে ঘুমাচ্ছে, তাকে আর বিরক্ত না করে রিসিপশনের সোফায় এসে ঘুমাইসি।

কারো ঠ্যাং এ বালিশ লাগবে, কিন্তু পাওয়া যাচ্ছেনা, নিজের মাথার বালিশও দিলাম। এসব তো আমার পরিবারের লোকের জন্যও করিনা, তারা করতেও দিবেনা। কিন্তু এসব কীভাবে জোগার হলো গেস্টরা তা জানেনা। জানলেও অনেকেই মানা করেনা।

খাওয়ার কথা বাদই দিলাম। সবাইকে না খাওয়াইয়া নিজে আগে খাইসি, এমন ইভেন্টের কথা মনে পড়েনা। বরং খাবার শেষ হয়ে যাওয়ায় নিজে না খেয়েই থাকি, শুধু বানিজ্যই যদি মাথায় থাকতো, ঠেকা পরেনাই এসব সার্ভিস দেয়ার।

আরওঃ শিক্ষামূলক ভ্রমণের উদ্দেশ্য

ট্যুর ইভেন্ট

৫। ভিন্ন কথা বলি, যারা প্রায়ই বলেন যে ভ্রমন আপনাদের প্যাশন। ফ্যাশন নয়। নিজে ঘুরতে ও অন্যদের ঘুরাতে ভালোবাসেন। ইভেন্টে প্রফিট রাখেন না, এমনকি নিজের খরচটাও নেন না, নিজের টাকায় ঘোরেন।

ওকে ডিয়ার ভাই/বোন, আমার গ্রুপের পরবর্তী ইভেন্টগুলো আপনি এরেঞ্জ করে দেন। আপনার প্যাশন বজায় থাকুক। আমাদের কোয়ালিটি মেইনটেইন করে সব এরেঞ্জ করবেন, বাজেট ফিক্স করবেন, নিজের খরচ দিবেন, ঘুরে আসবেন।

মোদ্দাকথা সব ব্যবস্থাপনা আপনার। কথা দিচ্ছি, গ্রুপ এক টাকাও প্রফিট করতে চাইবে না। আমরা বহাল তবিয়তে নাক ডেকে ঘুমাবো। আপনি গেস্টদের ঘুরিয়ে আনেন আর গ্রুপের সম্মান বজায় রাখেন, এই একটাই চাহিদা।

কেউ রাজি আছেন??

ভালো কথা, যেসব গ্রুপের অফিস বা স্টাফ আছে তাদের বেতন এবং গ্রুপের এডমিনের যদি এটাই মূল বিজনেস হয় তবে তার পেটে ভাতের ব্যাপারটাও মাথায় রাখবেন প্লিজ।

ট্যুরিস্ট সিন্ডিকেট, দায়ী কে?

৬। অনেকে প্রায়ই বলেন যে ফি বেশি, খরচ বেশি। যখন বলি যে অমুক অমুক খাতে খরচ বেশি। সম্ভব হলে সেসব খাতে কম খরচের পথ দেখান। উপায় বলেন। আজ পর্যন্ত একজনকেও পাইলাম না, যিনি ওই রেটের চাইতে কম টাকায় আমাকে প্ল্যান অফার করেছেন। এই চ্যালেঞ্জ কেউ নিতে রাজি হয়না।

একট ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশনে বাংলাদেশে কতোরকমের সিন্ডিকেট থাকে, আপনি কি জানেন? সেসব স্থানে কতোভাবে গলা কাটে, তা কি জানেন? সেসবের খরচ তো গেস্টকেই বহন করতে হবে। ইভেন্ট ফি বাড়বেই। তার দায় কেন আয়োজকের হবে?? এসব সিন্ডিকেট হবার দায় অবশ্যই স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের, ইভেন্ট গ্রুপগুলো কেন দায়ী হচ্ছে??

কেউ কেউ বলেন বিদেশে খরচ কম। আসলেই কম। স্বীকার করি।

কিন্তু সেই দেশে যে সার্ভিস তার কৃতিত্ব তাদের প্রশাসনের। আপনি যে তাদের ভ্রমন কর দিচ্ছেন, তাদের দেশে যাচ্ছেন তাতেই তাদের অনেক লাভ। ট্যুরিস্ট পয়েন্টে সাবসিডি দিলেও মোটের উপর দেশের লাভ।
তাই এই সিন্ডিকেটের দায় প্রশাসনের, তাদেরকে গালি দেন, ইভেন্টকে নয়।

ট্রাভেল ইভেন্টে

৭। এতো এতো নিন্দুক থাকা সত্বেও অজস্র মানুষ ট্রাভেল ইভেন্টেই যাচ্ছে। কারন তারা ব্যস্ত। ট্যুর এরেঞ্জ করার মতো অনেক সময় তাদের হাতে নেই। তারা সার্ভিস ফি দিয়ে নিজেদের কাজে ব্যস্ত থাকে। সব এরেঞ্জ করার প্যাড়া নেয় না। সব রেডিমেড পায় আর আরাম করে ভ্রমন করে উইকেন্ড পালন করেন।

তাদের সময়ও নেই আপনার বারন শোনার। যদি শুনতো তবে ট্যুর এরেঞ্জের কাজ আপনাকেই দিতো। কারন আপনার তো প্যাশন, আপনি বাড়তি ফি নেন না।

তারও লাভ, আপনারও লাভ। কিন্তু দিনশেষে এই অধিকাংশ মানুষেরা ভালোটাই খুঁজে নেন। তারা জানেন, কোথায় তাদের লাভ।

আর নিজেরা এরেঞ্জ করে যাচ্ছেন হাতে গোনা কয়েকজন। যিনি এরেঞ্জ করেন তিনি হয় কান ধরেন যে আর এই কাজ করবেন না। আর করলেও ব্যবসায়ীকভাবে গ্রুপ খুলে ইভেন্ট দিয়েই করবেন। কারন কেউই নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে চান না।

ভ্রমণ ইস্যু

৮। রিসেন্টলি কিছু কিছু জিনিসের ভাড়া ও দাম নিয়ে ভ্রমণ ইস্যু তৈরি হয়েছে। সব পক্ষই তাদের যুক্তিতে ঠিক আছে। যার মাথা, তার ব্যথা। সেই প্রসঙ্গে আমি যাবো না।

তবে যারা বলছেন, ওসব স্থানে এসবের দরকার কী? তাদেরকে বলছি, ভাইরে, সবার ইচ্ছা ও চাহিদা থাকলেও, সামর্থ্য সমান নয়।

আপনি যেমন টাঙ্গুয়াতে অল্প ভাড়ার বোট নিয়ে, টাট্টিখানায় বসে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে পারেন, অনেকেই দরকারে বেশি ভাড়ার বোট নিবে কারন সে হাই কমোড ছাড়া সাড়া দিতে পারেনা। এখানে সাড়া দেয়া মূল নয়, সামর্থটাই মূল। অর্থ ব্যয়ের এবং সাড়াদেয়ার স্থানের।

এডভেঞ্চারদের আপ করা ছবি দেখে অনেকেই যেতে চায়। টয়লেটের কথা শুনে পিছিয়ে আসে।

এমন অনেক গেস্টকে আমি ফিরিয়ে দেই কারন বগা লেকে এসি নেই, টাঙ্গুয়ার বোটে এসি নেই, পেয়ারা বাগানে হাই কমোডের টয়লেট নেই। তাদের এই শারীরিক সামর্থ্য বা বিলাসিতার দায় কি আমার নাকি তার? তার ইচ্ছা পূরনের জন্য হলেও সেসব স্থানে ঐ ব্যবস্থা হচ্ছে। তার দায়ও কি ইভেন্ট আয়োজকের?

আপনারা যারা ব্যবসায়ী নন, পারবেন কি এমন মানুষের অপূর্ণ ইচ্ছাগুলো পূরন করে দিতে, পারবেন?

আগে তো হজ্বে পায়ে হেঁটেই সব হতো, এখন তো লিফট, চলন্ত সিড়ি, ওয়াক ওয়ে, হুইল চেয়ার সব আছে। এসব করলে কি হজ্ব এর পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে নাকি অসুস্থরাও হজ্ব করতে পারছেন? বুঝে দেখবেন প্লিজ।

আরওঃ ভ্রমণ দিবস

বানিজ্যিক ইভেন্টে গলাকাটা রেট মানিনা

৯। এতোকথার পরেও পরিশেষে আমিই বলবো, অবশ্যই গলাকাটা রেট মানিনা, মানবো না। নিতেও চাইনা, দিতেও চাইনা। কোন কিছুর অতিরিক্ত অর্থ ডিমান্ড অবশ্যই নিন্দনীয় ও পরিত্যাজ্য। বিবেকবানরা যাচাই করেই তাকে ত্যাগ করেন।

তাই এক বাক্যে, এক শব্দে কাউকে মন্তব্য না করে, সবাইকে যাচাই করে দেখুন প্লিজ, সে কেন এই দাম নিচ্ছে এবং সেই দামের উপযুক্ত জিনিস দিচ্ছে কি না। আমি টং দোকানে ৫ টাকায় চা খাই বলে শেরাটনে ৫০০ টাকার চা কে গালি দিতে পারিনা। যার যেখানে ইচ্ছা ও সামর্থ্য সে সেটাই খাবে।

তাই বলে কেউ শো অফ বা বিলাসিতাও করছে না, কেউ ফকিন্নিও না। তবে ৫ টাকার চা দিয়ে ৫০০ টাকা দাম চাওয়া যেমন ঠিক নয় তেমনি ৫০০ টাকার চা (চা+এনভায়রনমেন্ট) ৫ টাকায় দেয়াও অসম্ভব!

একই ব্যক্তি দুই স্থানেই খেতে পারেন, তারাই আসল ট্রাভেলার। তাই ট্রাভেলার হোন, ট্রাবলার হয়ে এক পক্ষে থাইকেন না। সব দেখেন, যাচাই করেন। ইভেন্ট গ্রুপ ট্যুরিজম ধ্বংস করছে না এগিয়ে নিচ্ছে সেটা যাচাই করেন।

যেখানে এবং যার জন্য সমস্যা সেটা নিয়ে পরামর্শ দিন, সমাধানে এগিয়ে আসেন। গালি দিয়ে ফায়দা নাই, কয়েকজন সাধুবাদ দিলেও কারমা হিসেবে গালিটাই ফেরত পাবেন।

সর্বশেষ

১০। সারকথা, এতো যখন ভালোটা বোঝেন, তবে খালি ফেবুতে কেন লিখেন। নিজেও কিছু করে দেখান। এতো সব বাধা ডিঙিয়ে নিজেই ভালো কিছু করেন। সবার জন্য, সব টাইপের মানুষের জন্য। সমাজকর্মি হোন, সংস্কারক হোন।

শুধুমাত্র নিন্দুক বা সমালোচক না হয়ে নিজেও কিছু তালি আর গালি পাওয়ার কাজ করেন। তবেই বুঝবো আপনার কথায় যুক্তি আছে।

আমার সলো ট্রাভেল, অফিস ট্রাভেল, রিলেটিভ ট্রাভেল, কাপল ট্রাভেল, গ্রুপ ট্রাভেল, কমার্শিয়াল ট্রাভেল; একেকটার একেক স্টাইল, একেক প্যাটার্ন। কোনটার সাথেই কোনটার তুলনা সম্ভব নয়। দয়া করে আপনারাও আমনাদের একক অভিজ্ঞতা দিয়ে সামগ্রিক বিচার না করে, সামগ্রিক দিক বিবেচনা করেই অতঃপর মন্তব্য করুন।

পিসির মনিটরে আকাশের ছবি না দেখে, বাড়ির ছাদে যান, সাগরের পাড়ে যান, পাহাড়ের চূড়ায় যান। তখন বুঝবেন, আকাশ কতো বড়ো আর বিচিত্র! পিসির মনিটর সেখানে ঠুনকো মাত্র।

ধন্যবাদ।

লিখেছেনঃ জুবায়ের আবদুল্লাহ


GoArif এর ফেসবুকঃ GoArif

GoArif.com ওয়েবসাইটের কোথাও কোন ভুল বা অসংগতি আপনার দৃষ্টিগোচর হলে তা অনুগ্রহ করে আমাকে অবহিত করুন, যেন আমি দ্রুত সংশোধন করতে পারি।
আরিফ হোসেন

আমি একজন ভ্রমণ পিপাসু। ভ্রমণ করতে আমার খুবই ভালো লাগে। তাইতো সময় পেলে ভ্রমণে ছুটে যাই। কোন ভ্রমণই আমার শেষ হয়ে শেষ হয় না। বারংবার আমার সেই স্থানে ছুটে যেতে ইচ্ছে করে। কারন, আমি যে প্রকৃতি ভালবাসি।

সব পোস্ট দেখুন

মন্তব্য করুণ

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।