অসীম নীল আকাশ আর সমুদ্রের নীল জলের মিলন, সারি সারি নারিকেল গাছ, স্বচ্ছ জলরাশি এবং প্রবাল প্রাচীর এই দ্বীপকে করেছে অনন্য।
দ্বীপটির পরিবেশ অত্যন্ত শান্ত ও নির্মল। এখানে নেই কোনো কোলাহল, নেই যানবাহনের ভিড়। শুধু সমুদ্রের ঢেউ, পাখির কলরব আর নারিকেল গাছের পাতার মর্মর ধ্বনি।
দ্বীপটির আয়তন প্রায় ৮ বর্গকিলোমিটার এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ৫.৬৩ কিলোমিটার। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের গড় উচ্চতা ৩.৬ মিটার।
সেন্ট মার্টিন দ্বীপে প্রায় ৬৬ প্রজাতির প্রবাল, ১৮৭ প্রজাতির শামুক-ঝিনুক, ১৫৩ প্রজাতির সামুদ্রিক শৈবাল, ১৫৭ প্রজাতির গুপ্তজীবী উদ্ভিদ পাওয়া যায়।
১৯০০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে ব্রিটিশ ভূ-জরীপ দল খ্রিষ্টান সাধু মার্টিনের নামানুসারে এই দ্বীপের নাম দেয় সেন্ট মার্টিন।
ছেঁড়া দ্বীপের সূর্যাস্ত অসাধারণ। এটি একটি জনশূন্য দ্বীপ যেখানে প্রবাল রিফ এবং স্বচ্ছ জলরাশি দেখা যায়।
সন্ধ্যায় পশ্চিম বিচে রক্তিম সূর্যাস্তের দৃশ্য - প্রতিটি মুহূর্ত এখানে যেন এক একটি জীবন্ত ছবি।
জাহাজ টিকেট কক্সবাজারের নুনিয়া ছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে পাওয়া যায়। অনেক ট্যুর অপারেটর এবং রিসোর্টও জাহাজ টিকেট বুকিং সেবা দেয়।