GoArif
ভ্রমণে নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ১০টি টিপস। দেখুন এখানে
স্কিল কম্পিটিশন এ আমার নাম! - GoArif

স্কিল কম্পিটিশন এ আমার নাম! সিসিএন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট

স্কিল কম্পিটিশন এ আমার নাম! সিসিএন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট । কোটবাড়ী কুমিল্লা।

সময়টা ২০১০ সাল এর শেষের দিকে। সবেমাত্র সি সি এন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এ ভর্তি হয়েছি। ওঠেছি পলিটেকনিক এর আবাসিক হোস্টেলে। সি সি এন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট কুমিল্লা কোটবাড়ী এর অনেকটা ভিতরে অবস্থিত। পলিটেকনিক এর চারপাশ পাহাড়ে ঘেরা। কি অদ্ভুত ই না সুন্দর দেখতে ! উপড়ে নীল আকাশ… চারদিকে তেমন কোন লোকারণ্য নেই বললেই চলে… কলেজের চারপাশ টা ঘিরে রেখেছে উচু উচু পাহাড় গুলো। গাড়ির পে পু শব্দ নেই। শান্ত নিরব পরিবেশ। পড়া লেখার জন্য একদম পার্ফেক্ট। এক কথায় অসাধারণ।

আমি সেই ছোট্র বেলা থেকেই নানা অদ্ভুত বিষয় নিয়ে ভাবতাম… এবং সে গুলো বাস্তবায়ন এর চেষ্টা করতাম। আমার ভালো লাগত। যেমন, আমি ছোট বেলায় ব্যাঙ এর ডাক্তার নামে পরিচিত ছিলাম! ব্যাঙ এর ডাক্তার বলার কারন হচ্ছে, আমার একটা অপারেশন থিয়েটার ছিল। যেখানে আমি ব্যাঙ এর অপারেশন করতাম। অপারেশন থিয়েটার টা অনেকটা অটোমেটিক ছিল। নিজে নিজে ই কাজ করত। অপারেশন থিয়েটার টা আমি নিজে ই বানিয়েছিলাম। প্রথমে যে ব্যাঙ টা কে অপারেশন করব সেটাকে একটা বড় বয়াম এর ভরতাম। তারপর সেটাতে সেন্ট এর স্প্রে করে দিতাম। এতে ব্যাঙ টা অজ্ঞান হয়ে পরত। এই অজ্ঞানতা কাজ করত প্রায় ৮-১০ মিনিট এর মত। আমার অপারেশন এর কাজ অবশ্য এর আগেই শেষ হয়ে যেত। ব্যাঙ অজ্ঞান হলে সেটাকে অপারেশন থিয়েটারে ঢুকাতাম…

তো সেই ব্যাঙ এর ডাক্তার থেকে পরে হয়ে গেলাম হেলিকপ্টার পাইলট। যাক, সে বিষয় নিয়ে আরেকদিন বলব। তো যে বিষয় নিয়ে বলছিলাম… স্কিল কম্পিটিশন এ আমার নাম এলো কিভাবে বলার আগে বলে নেই এই স্কিল কম্পিটিশন এর আয়োজক ছিল ব্রিটিশ কাউন্সিল।

প্রতিদিন এর মত যথারীতি আমাদের ক্লাশ চলছিল।  একটা ক্লাশ শেষ হল। দ্বিতীয় ক্লাশ এর এর সময় খাদেমুন স্যার হঠাৎ আমাদের রুমে আসলেন। সাথে করে কিছু কাগজ এর টুকর নিয়ে এসেছিলেন। স্যার সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলতে শুরু করলেন। ঃ আমাদের পলিটেকনিক এ গত বছর থেকে স্কিল কম্পিটিশন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করে থাকে। স্কিল কম্পিটিশন প্রতিযোগিতায় আমরা ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটা টীম পাঠাই। পুরু কলেজ থেকে এই ৫ জন কে নির্বাচন করা হয়। সুতরাং এতে তোমরা ইলেকট্রনিক্স ডিপার্ট্মেন্ট ও আংশ গ্রহন করতে পারবা।

স্কিল কম্পিটিশন

স্যার সবাইকে ১ টা করে কাগজ এর টুকর দিলেন। আর বললেন, এটার উপরের দিকে তোমাদের নাম, আইডি, আর ডিপার্ট্মেন্ট এবং সেমিস্টার এর নাম লিখবা। এর পর স্যার আমাদের বললেন, স্কিল কম্পিটিশন তোমাদের মেধা যাচাই করে থাকে। এটা প্রথমে বিভাগীয় পর্জায়ে হয় তারপর কান্ট্রি বেজ হয় তারপর ওয়ার্ল্ড ব্যাজে গিয়ে শেষ হয়।

এখন তোমরা এই সাদা কাগজ এর টুকরো টাতে এমন কিছু লিখবে যেটা, মানুষের কল্যাণে কাজে লাগে, দেশে কাজে লাগে এবং বস্তুটি অপ্রয়োজনীয় হতে  হবে। স্যার আমাদের কে একটা উদাহরণ দিলেন। যেমনঃ একটা সিগারেট খাওয়ার পর এর শেষ অংশ টুকু ফেলে দেয়া হয়। এখন এই ফেলে দেয়া অংশ টুকু একটা আবর্জনা হিসেবে পরে থাকে। এটা পরিবেশ কে নষ্ট করে। এখন তুমি এই ফেলে দেয়া সিগারেট এর অংশ টুকু দিয়ে কি এমন কাজ করতে পারো যেটা মানুষের কল্যাণে কাজ করবে। যদি তুমি সেটা করতে পারো তাহলে, এক দিক দিয়ে পরিবেশ নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বাচবে। সাথে সাথে আবর্জনা কে তুমি কাজে লাগাতে পারলে!

আরও পড়ুনঃ সমুদ্র কিভাবে তৈরি হয়েছিল? জানুন বিস্তারিত

স্যার এর কথা শুনে তো আমাদের মাথা চক্কর দিতে লাগল। আর আমি মনে মনে বলতে থাকলাম… নাহ রে বাবা এটা আমাকে দিয়ে হবার নয়। 

স্যার ১০ মিনিট সময় দিলেন সবাইকে লিখার জন্য। সময় শুরু হল…। আমি সাদা কাগজ এর দিকে তাকিয়ে আছি। ২ মিনিট পার হয়ে গেলো… আমি সাদা কাগজ এর দিকে তাইয়ে আছি। পরক্ষনেই স্যার বললেন কি ব্যাপার কিছু লিখছ না কেনো। আমি স্যার এর দিকে তাকিয়ে তারপর চারপাশের তাকালাম। সবাই লিখায় ব্যস্ত। আমার পাশের জন লিখছে মাছ চাষ এর কথা। বদ্ধ পুকুরে মাছ চাষ করবে। তাহলে, পুকুরে আর মশা জন্মাবে না জন্মাবে মাছ…আর মাছ। আরেক জন লিখছে গুরুর খামার দিবে। বাহহ বেশ। আমি মনে মনে ঠিক করলাম। স্যার কে যেতে দে তারপর যত গুলো খামার করেছিস, সবগুলারে মামার দোকানে নিয়া যামু। গরুর খামার আর মাছের চাষ করে যা লাভ পাইছস তা বের করুম সবগুলার থেইকা।

প্রায় ৬ মিনিট পার হয়ে গেলো আমি কিছুই লিখছি না। হঠাৎ একটা আইডিয়া আসল মাথায়। প্রথমে ভাবলাম এটা লিখব? না থাক… পরক্ষনে ভাবলাম শুধু সাদা খাতা জমা দিব… না থাক যা মনে আসে লিখে দেই। যা আছে কপালে। স্যার এর বকা থেকে তো বাচা যাবে।

“বাস্তা দিয়ে মানুষ জন হেটে যাবে, তাদের পায়ের চাপে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। সেটা রাস্তার লাইট বা বাসার কাজে ব্যাবহার করা যাবে” এই টুকু লিখে ও শেষ করতে পারি নি। স্যার এসে বলল টাইম শেষ। বুচ্ছি তোমরা কি লিখছ। একটার মাথায় ও কিছু নেই! আমার ফ্রেন্ড আল আমিন সাদা কাগজ জমা দেয়াতে স্যার ওকে বকা বকি করলেন।

যাই হোক স্যার চলে গেলেন। পোলাপান একজন আরেকজন কে জিজ্ঞেস করছে কে কি লিখেছে। আমি চলে গেলাম হোয়াইট বোর্ড এর কাছে। পেন টা হাতে নিয়ে আমার লেখা আইডিয়াটা ছবি আকারে অংকন করলাম। আবার মুছে ফেললাম।

আমাদের কলেজে তখন প্রতিদিন টিফিন ব্রেকের সময় এক এক ডিপার্ট্মেন্ট এক এক দিন আনন্দ অনুষ্ঠান এর আয়োজন করত। আমরা টিফিন ব্রেক এর সময় টা অনেক মজা করে কাটাতাম।

খাদেমুন স্যার যে দিন লিখে নিয়েছিল ঠিক তার ২ দিন পর টিফিন ব্রেক এর সময় শাহাদাৎ স্যার আমাকে দূর থেকে হাতে ইশারা করে ডাকলেন। স্যার এর ইশারা পেয়ে আমি স্যার এর কাছে গেলাম। শাহাদাৎ স্যার এর সাথে প্রিন্সিপাল স্যার ও বসে ছিলেন। আমি কাছে যাওয়াতেই স্যার বললেন, আইডি কত? আমি বললাম ১৭ । আচ্ছা যাও।

সেদিন স্যার কেন আমার আইডি চেয়ে ছিলেন আমি তা বুজতে পারি নি। আবার অন্য কথা ও মনে আসছিল। আচ্ছা কোন বেয়াদুবি করে ফেলেনিতো… আইডি দিয়ে আমার ডাটা খুজে বাসায় ফোন দিবে না তো!

তার পরের দিন। কলেজ কর্মচারি দিয়ে আমাকে ডাকা হলো স্যার এর রুম এ। আমি শুনেই ভয় পেয়ে গেলাম। নিশ্চয় আজ কপালে খারাপি আছে। আমি স্যার এর রুমের সামনে গিয়ে সালাম দিলাম। স্যার বললেন ভিতরে আসো। আমি ভয়ে ভয়ে ঢুকলাম। কে জানে আজ কোন চিপায় নিয়ে মাইর দেয়। আল্লাহ্‌ বাচাইও। আমি মনে মনে দোয়া দুরুদ পরছিলাম।

স্যার এর টেবিলের উপড় একপাশে অনেক গুলো কাগজ এর টুকরো, আর অন্য পাশে ১ টি কাগজ এর টুকর। স্যার আমাকে বললেন, এই দেখো এতোগুলো কাগজ এর লেখা আমি পরেছি। কোন ডিফ্রেন্ড কিছু পাই নি। এই যে এই পাশে দেখছো ১ টি কাগজ পরে আছে। এটি তোমার লেখা। আমি পড়েছি। আমার এই কাগজে লেখা টুকু ই ভিন্ন রকম মনে হয়েছে। এই জন্য ই এটা কে  আমি আলাদা করে রেখেছি। তবে তোমার লেখার পুরু ব্যাপারটা আমি ক্লিয়ার না। আমাকে বলতো… তুমি আসলে কি বোজাতে চাচ্ছিলে এই লেখাতে।

আরও পড়ুনঃ কলম ধরুন, আপনিও লিখতে পারবেন

আমি প্রথমে মনে মনে আল্লাহ্‌ কে ধন্যবাদ দিলাম মাইর এর হাত থেকে বাচিয়ে দেয়ার জন্য। আমি স্যার কে বললাম, স্যার… এখানে আমি বুজাতে চাচ্ছি যে… আমাদের শহরে বা যেখানে অনেক মানুষের সমাঘম সে খানের ফুটপাত দিয়ে দিনরাত সমবসময় মানুষ হাটাচলা করে থাকে। আমি এই হাটা চলাকে কাজে লাগাতে চাচ্ছিলাম। যেমন, আমি একটা ডিভাইস লাগিয়ে দিব ফুটপাতে। সেখান দিয়ে মানুষ আসা যাওয়ার সময় সে ডিভাইসে চাপ পড়বে। ফলে একটা ফোর্স উৎপন্ন হবে। এবং এই ফোর্স থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে এবং সেই উৎপন্ন বিদ্যুৎ কে আমরা রাস্তার হেডলাইট জ্বালানোর কাজে লাগাতে পারব। চাইলে আশেপাশের বাসা বাড়ী তে ও ব্যাবহার করা যাবে। স্যার বললেন আমার শুনে খুব ভালো লাগল তোমার আইডিয়াটা। তবে এটা কি বাস্তবায়ন করা সম্ভব? আমি বললাম জি স্যার সম্ভব।

স্যার আমার আইডিয়ার সাথে আরেকটু যোগ করলেন। যেমন, স্যার বললেন… আমাদের শহরগুলো তে দেখা যায় যে ফুটপার এর নিচে দিয়ে পানি নিষ্কাসন এর ব্যবস্থা থাকে। অনেক জায়গায় দেখা যায় নিষ্কাশন এর ড্রেন গুলোর উপরে ডাকনা দেয়া থাকে না। ফলে ময়লা আবর্জনা সেখানে জমে পানি নিষ্কাসন বন্ধ হয়ে যায়। দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। তোমার ডিভাইস টা যখন ফুটপাতে পানি নিষ্কাসন এর ড্রেনের উপর বসানো হবে তখন এটা ঢাকা থাকবে। ফলে ময়লা আবর্জনা ড্রেনের ভিতর পরবে না। এবং যে ময়লা আবর্জনা গুলো এখন আছে… সে গুলো তুলে জমিতে সার হিসেবে ব্যাবহার করা যাবে।

আমি স্যার এর কথা গুলো মন দিয়ে শুনছিলাম। স্যার এর কথা গুলো শুনে আমার এই আইডিয়ার প্রতি আরো আগ্রহ বেড়ে গেলো। স্যার আমাকে বলে দিলেন… তোমাকে ২ দিন এর সময় দেয়া হল। তুমি এই ২ দিন এর ভিতরে তোমার এই আইডিয়াটা বাস্তবায়ন করে দেখাবা। আমি শুধু মাথা নেরে সায় দিলাম।

স্যার এর রুম থেকে বেরিয়ে এসে ভাবলাম… ২ দিন এ কি করে এটা বানানো সম্ভব। স্যার কে কি কথা দেয়া ঠিক হল। তাছাড়া, অনেক কিছু ভাবা যায় কল্পনা করা যায় ঠিক কিন্তু বাস্তবে তা করা খুব কঠিন।

রাতে হোস্টেলে বসে বসে ভাবছি কি করব, কিভাবে করব। রাত অনেক হয়েগেলো…। শুয়ে পরলাম। হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেল। উঠে বসলাম। ঘুমের ভিতর কি যেন মাথায় আসছিল… সেটা ই ভাবছিলাম। কি এসেছিল মাথায়। মনে পরে গেলো! মশারি থেকে বের হয়ে লাইট জ্বালালাম। খাট এর নিচ থেকে ট্রাং টা বের করলাম। মশারি টা একপাশে সরিয়ে ট্রাং টা উপুত করে ট্রং এর ভিতর যা ছিল সবকিছু খাট এর উপর ফেললাম।

অবশেষে পেয়েগেলাম আমার সেই কাঙ্ক্ষিত জিনিস। ডেক্সটপ কম্পিউটার এর ডিভিডি রাইডার। আমার বন্ধু মিলন দিয়েছিল এটা আমাকে। সারারাত এটা নিয়ে ই পরেছিলাম। সকাল হল…। কলেজে গেলাম। কলেজ থেকে ফিরে এসে আবার এটা নিয়ে বসলাম। কাজ প্রায় ৩০% শেষ! কিছু ইলেক্ট্রেনিক্স ডিভাইস দরকার ছিল। কুমিল্লার কান্দিরপার এর কস্তুরি মার্কেট থেকে কিনে নিয়ে আসলাম। রাতে একটা নিয়ে ই কাজ করলাম। রাতে কাজ করার পর ৭০% এর মত আমার কাজ শেষ। পরের দিন আবার বসলাম… এভাবে করে ২ দিনে আল্লাহ্‌ অশেষ রহমতে সম্পুর্ন কাজ শেষ করলাম।

পরের দিন টিফিন ব্রেকে স্যার আমাকে ডিভাইস টা নিয়ে আসতে বললেন। আমি নিয়ে আসলাম। প্রিন্সিপাল স্যার এর সাথে আরেকজন স্যার বসে আছেন গোল ঘরে। আমি ডিভাইস নিয়ে যাওয়ার পর ২ জন স্যার ই খুটিয়ে খুটিয়ে দেখলেন সব ঠিক আছে কিনা। গোল ঘর ঘিরে ছত্র ছাত্রীরা দাড়িয়ে দেখছে।

সব দেখা শেষে স্যার বললেন দারুণ হয়েছে। তুমি পেরেছো আরিফ। তখন আমার খুব আনন্দ লাগছিল ।


আমার ফেসবুকঃ GoArif | আমার টুইটারঃ GoArif

আরিফ হোসেন

আমি একজন ভ্রমণ পীপাষু মানুষ। ভ্রমণ করতে আমার খুবই ভালো লাগে। তাইতো সময় পেলে ভ্রমণে ছুটে যাই। কোন ভ্রমণই আমার শেষ হয়ে শেষ হয় না। বারংবার আমার সেই স্থানে ছুটে যেতে ইচ্ছে করে। কারন, আমি যে প্রকৃতি ভালবাসি।

মন্তব্য

আমাদের মন্তব্য নীতি অনুযায়ী পরিচালনা করা হয় এবং আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। দয়া করে নাম দেয়ার ক্ষেত্রে কীওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। আসুন একটি ব্যক্তিগত এবং অর্থপূর্ণ কথোপকথন হয়ে যাক 😊 ।





মোবাইল ভার্সন দেখুন এখানে

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমি!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে অনুসরণ এবং আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। নিচের সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে আমি খুবই এক্টিভ থাকি।

জরিপ চলছে

ভ্রমণে দীর্ঘ যাত্রায় আপনি কোনটিতে বেশী সাচ্ছন্দ বোধ করেন?


রেজাল্ট দেখুন

Loading ... Loading ...

আরিফ হোসেন

আমি একজন ভ্রমণ পীপাষু মানুষ। ভ্রমণ করতে আমার খুবই ভালো লাগে। তাইতো সময় পেলে ভ্রমণে ছুটে যাই। কোন ভ্রমণই আমার শেষ হয়ে শেষ হয় না। বারংবার আমার সেই স্থানে ছুটে যেতে ইচ্ছে করে। কারন, আমি যে প্রকৃতি ভালবাসি।

আর্কাইভ