GoArif
ভ্রমণে নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ১০টি টিপস। দেখুন এখানে
কম্পিউটার কেনার পর GoArif

কম্পিউটার কেনার পর যা অবশ্যই করবেন।

কম্পিউটার কেনার পর যা অবশ্যই করবেন। কম্পিউটার কিনার পর কয়েকদিন ব্যাবহার করতেই দেখা যায় RAM এ সমস্যা, কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যাচ্ছে, অটো রিস্টার্ট নিচ্ছে, ডিসপ্লে ড্যান্স দিচ্ছে… আরো কতো সমস্যা!

প্রথমে আলোচনা করি, এগুলো হওয়ার কারন নিয়ে?

যারা মাত্রই কম্পিউটার কিনেছেন তাদের কে আমি ২ ভাগে ভাগ করছি।

১। যারা কম্পিউটার/ ল্যাপটপ কিনে এনেই নিজের বা বন্ধুর কথায় পছন্দের উন্ডোজ দিয়ে দিয়েছেন।

২। যারা কম্পিউটার এর সাথে থাকা উন্ডোজ টা ই ব্যাবহার করছেন।

১ নাম্বার দের সমস্যা হচ্ছে, কম্পিউটার কিনে এনেই তো ৩০ টাকা দামের একটা উন্ডোজ সিডি দিয়ে খুশি খুশি মনে উন্ডোজ দিয়ে দিয়েছেন  । এবার এই উন্ডোজ টাকে যে এক্টিভ করতে হবে সেটা জানেন না অথবা ভুলে গেছেন। এবার যখন ওয়াইফাই কানেক্ট করতে যাবেন তখন ই দেখলেন, একি… কানেক্ট এর অপশন কোথায়!! তখন ই মনে পড়ল… ও আচ্ছা ড্রাইভার ইন্সটল করতে হবে। কিন্তু ড্রাইভার সিডি কই? দোকান দার তো ড্রাইভার সিডি দেয় নি!

এখন তো বাসায় চলে আসছেন। এদিকে নেট কানেক্ট করে যে ফেসবুকে বন্ধুদের কম্পিউটার কিনার গরম খবরটা দিবেন তার জন্য তর সইছে না। কিন্তু পারছেন না। বাধ্য হয়ে পেন্ড্রাইভ নিয়ে বন্ধুর বাসায় দৌড়। বন্ধু নেট থেকে আপনাকে ড্রাইভার নামিয়ে দিলো।

এদিকে ভুলেই গেছেন যে গ্রাফিক্স ড্রাইভার নামে যে একটা সফট্র্যার আছে এবং সেটা যে ইন্সটল না করলে আপনার কম্পিউটার এর স্ক্রিন yo yoo ড্যান্স দিবে!

এ তো গেলো ১ নাম্বার আমজনতার কথা। এবার ১ এবং ২ জাতির ই যে মূল সমস্যা সেগুলো বলছি।

ইতিমধ্যে কম্পিউটার তো ব্যাবহার শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু কম্পিউটার এর যে কিছু চাহিদা আছে এবং আপনাকে যে সেটা পূরণ করা উচিত সেটা কি জানেন। আপনি কম্পিউটার কে গরুদিয়ে যেভাবে হালচাষ করায় সেভাবে(মানে ইচ্ছা মত) ব্যাবহার করেন তাতে কম্পিউটার এর কোন মাথা ব্যথা নেই। আমি আমার ল্যাপটপ কে ৭ দিন পর একবার রিস্টার্ট দিয়েছিলাম! আপনি বলবেন, তাতে কি? তাতে কি মানে! এই ৭ দিন ল্যাপটপ একটানা অন ছিলো মিয়া। কোন বন্ধ করিনি।

একটু পার্ট নিলাম… যদিও ঘটনা সত্যি

এবার ইচ্ছা মত যত হাবি যাবি সফটওয়্যার আছে ইনস্টল শুরু করে। ইন্টারনেট থেকে সফট্র্যায়ার নামায় আর ইন্সটল করে। সফট্র্যইয়ার এ ভাইরাস আছে কিনা সেটা পরিক্ষা করিনা আমরা। যত পারো নামাও।  ফ্রি ই তো, সমস্যা কি! আপনি জানেন কি, ছোট্র কয়েক লাইন এর ভাইরাস কোড দিয়ে আপনার কম্পিউটার এর সব ডাটা মুছে দেয়া সম্ভব। আপনি শুধু সফটওয়্যার টা ওপেন করবেন ব্যাস বাকি কাজ ভাইরাস ই করে নিবে। তাই সাবধান।

এতক্ষণ তো বললাম সমস্যার কথা। এবার চলুন দেখা যাক কিভাবে সমাধান করা সম্ভব।

আরও পড়ুনঃ কলম ধরুন, আপনিও লিখতে পারবেন

কম্পিউটার কেনার পর

চলুন কম্পিউটার কেনার পর আপনি কি করবেন, তা সম্পর্কে জানি –

১। কম্পিউটার কিনার সময় অবশ্যই ড্রাইভার সিডি নিবেন। অনেক কম্পিউটার বিক্রেতা ড্রাইভার সিডি নামে যে কিছু আছে, কিনার সময় আপনি না বললে সেটা বুজতে ই দিবে আপনাকে। হাসি হাসি মুখ করে তাকিয়ে থাকবে। কিউট জাতি না আমরা।

২। কম্পিউটার কিনার পর চেষ্টা করবেন সেটার সাথে দেয়া উন্ডোজ টা ই ব্যাবহার করতে। আর যদি উন্ডোজ দিতে ই হয় তা হলে অরজিনার উন্ডোজ দেয়ার চেষ্টা করবেন। যদিও সেটার অনেক মূল্য। না পারলে কম্পিউটার দোকানে যেয়ে ৩০ টাকা দিয়ে বলবেন Edition ছাড়া উন্ডোজ যে টা আছে, সেটা দিতে। কারন, ইডিসন গুলাতে অনেক জামেলা থাকে।

উন্ডোজ দেয়ার পর সাথে সাথে এক্টিভ করে নিবে। এক্টিভ হয়েছে কিনা সেটা চেক করার জন্য My Computer এর আইকন এ রাইট ক্লিক করে Properties এ গিয়ে Windows Active কিনা চেক করে নিবেন।

৩। এক্টিভ এর পর আপনার কম্পিউটার এর সাথে ইন্টারনেট কানেকশন থাকলে উইন্ডোজ অপডেট দিয়ে দিবেন।

৪। আপনার কম্পিউটারে অবশ্যই অবশ্যই একটা ভালো মানের এন্টিভাইরাস ব্যাবহার করবেন। এটা আপনার কম্পিউটার কে অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি দিবে। একন্টিভারাস কিন্তু অবশ্যই কিনে নিবেন। ইন্টারনেট এ ফ্রি পাওয়াযায় এরকম কনো এক্টিভারাস ব্যাবহার করা থেকে দূরে থাকুন। আমি আবারও বলছি, অবশ্যই জেনুইন এন্টিভারাস কিনে ব্যাবহার করবেন। যে গুলো ইন্টারনেট এ ফ্রি পাওয় যায় ওগুলা নিজেই ভাইরাস! এন্টিভাইরাস সব সময় আপডেট রাখার চেষ্টা করবেন। কারন, প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ভাইরাস ছড়ানো হচ্ছে।

৫। advanced systemcare pro নামে একটা সফটওয়্যার পাওয়া যায়। সেটা ব্যাবহার করবেন। এটা আপনার কম্পিউটার এর সমস্যা গুলো খুজে বের করে সমাধান করে দিবে। ব্যাবহার করলেই এর আসল মজা বুজতে পারবেন।

৬। আবশই গ্রাফিক্স ড্রাইভার ইনস্টল করে নিবেন।

৭। ccleaner ব্যাবহার না করা ই ভালো।

৮। এখনই স্টার্ট মেনু থেকে Control Panel এ যান। যত অপ্রয়োজনীয় সফট্র্যার আছে সব গুলো আনইন্সটল করে দিয়ে কম্পিউটার টাকে একটা রিস্টার্ট দিয়ে ব্যাবহার শুরু করুন।

৯। যারা ল্যাপটপ ব্যাবহার করেন তারা অবশ্যই দেখবেন যে আপনার ল্যাপটপ কে ঠাণ্ডা রাখার জন্য একটা কুলার দেয়া আছে। ল্যাপটপ ব্যাবহার করার সময় খেয়াল রাখবেন যেনো ওই দিকটা ফাকা থাকে। কুলারের বাতাস যেনো  সহজেই ঢুকতে এবং বের হতে পারে। অনেকে খাটের উপর ফেলেই ইউস শুরু করে। এটা ঠিক না। এতে কুলারে বাতাস ঢুকতে পারে না। দ্রুত ল্যাপটপ গরম হয়ে যাবে এবং ব্যাটারি আয়ুকাল কমে যাবে। এমন কি ল্যাপটপ ওভার হিট হয়ে ব্রাস্ট হতে পারে।

আশাকরি এগুলো ফলো করলেই অনেক উপকার পাবেন। আর উপকার পেলে আমাকে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।

পোস্টঃ কম্পিউটার কেনার পর ।


আমার ফেসবুকঃ GoArif | আমার টুইটারঃ GoArif

আরিফ হোসেন

আমি একজন ভ্রমণ পীপাষু মানুষ। ভ্রমণ করতে আমার খুবই ভালো লাগে। তাইতো সময় পেলে ভ্রমণে ছুটে যাই। কোন ভ্রমণই আমার শেষ হয়ে শেষ হয় না। বারংবার আমার সেই স্থানে ছুটে যেতে ইচ্ছে করে। কারন, আমি যে প্রকৃতি ভালবাসি।

মন্তব্য

আমাদের মন্তব্য নীতি অনুযায়ী পরিচালনা করা হয় এবং আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। দয়া করে নাম দেয়ার ক্ষেত্রে কীওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। আসুন একটি ব্যক্তিগত এবং অর্থপূর্ণ কথোপকথন হয়ে যাক 😊 ।





মোবাইল ভার্সন দেখুন এখানে

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমি!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে অনুসরণ এবং আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। নিচের সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে আমি খুবই এক্টিভ থাকি।

জরিপ চলছে

ভ্রমণে দীর্ঘ যাত্রায় আপনি কোনটিতে বেশী সাচ্ছন্দ বোধ করেন?


রেজাল্ট দেখুন

Loading ... Loading ...

আরিফ হোসেন

আমি একজন ভ্রমণ পীপাষু মানুষ। ভ্রমণ করতে আমার খুবই ভালো লাগে। তাইতো সময় পেলে ভ্রমণে ছুটে যাই। কোন ভ্রমণই আমার শেষ হয়ে শেষ হয় না। বারংবার আমার সেই স্থানে ছুটে যেতে ইচ্ছে করে। কারন, আমি যে প্রকৃতি ভালবাসি।

আর্কাইভ